তীব্র উত্তেজনার মাঝে লোহিত সাগরে যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করল ইরান

news-image

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধ এবং ইসরায়েলি ও পশ্চিমাদের জাহাজে তেহরানের মিত্র বাহিনীর হামলা ঘিরে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মাঝে লোহিত সাগরে যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করেছে ইরান। সোমবার ইরানের আলবোর্জ যুদ্ধজাহাজ লোহিত সাগরে প্রবেশ করেছে বলে দেশটির আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিমের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

লোহিত সাগরে যুদ্ধজাহাজ আলবোর্জের মিশনের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেনি তাসনিম নিউজ এজেন্সি। তবে ইরানি যুদ্ধজাহাজগুলো ২০০৯ সাল থেকে পণ্য পরিবহনের অন্যতম প্রধান বৈশ্বিক রুট লোহিত সাগরে জলদস্যুদের প্রতিরোধ এবং অন্যান্য কাজ সম্পাদনের জন্য নিয়োজিত রয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির এই আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা।

ইসরায়েলের সাথে যুদ্ধে ফিলিস্তিনি স্বাধীনতা গোষ্ঠী হামাসের প্রতি সমর্থনের অংশ হিসেবে গত নভেম্বর থেকে লোহিত সাগরে ইসরায়েল ও অন্যান্য পশ্চিমা দেশের জাহাজগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করছে ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীরা।

তাদের এই হামলায় বিশ্বের অনেক বড় শিপিং কোম্পানি সুয়েজ খাল দিয়ে যাওয়ার পরিবর্তে আফ্রিকার কেপ অব গুড হোপের আশপাশের দীর্ঘ এবং অত্যধিক ব্যয়বহুল রুটে জাহাজ পরিচালনা করছে। বিশ্ব বাণিজ্যের প্রায় ১২ শতাংশ পণ্যসামগ্রী সুয়েজ খালের মাধ্যমে পরিবহন করা হয়।

তাসনিম বলছে, যুদ্ধজাহাজ আলবোর্জ বাব এল-মান্দাব প্রণালী হয়ে লোহিত সাগরে প্রবেশ করেছে। দেশটির এই যুদ্ধজাহাজ কখন লোহিত সাগরে ঢুকেছে সেবিষয়ে কিছু জানানো হয়নি। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অসমর্থিত সূত্রের বরাত দিয়ে শনিবার গভীর রাতে যুদ্ধাজাহাজটি সেখানে পৌঁছেছে বলে জানানো হয়েছে।

ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিভিশন চ্যানেল প্রেস টিভির তথ্য অনুযায়ী, আলভান্দ ধাঁচের ওই ডেস্ট্রয়ারটি ইরানের নৌবাহিনীর ৩৪তম নৌবহরের অংশ। ২০১৫ সাল পর্যন্ত এডেন উপসাগর, ভারত মহাসাগরের উত্তরে এবং বাব এল-মান্দাব প্রণালীতে টহল দিয়েছিল এই যুদ্ধজাহাজ।

মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম নৌবহর বলেছে, তারা ইরানী নৌবাহিনীর পক্ষে কথা বলতে পারে না। একই সঙ্গে ইরানি যুদ্ধজাহাজের গতিবিধি নিয়েও অসমর্থিত প্রতিবেদনের বিষয়ে মন্তব্য করতে পারে না মার্কিন নৌবাহিনী।

এর আগে, গত শনিবার ও রোববার লোহিত সাগরে জাহাজ ও সামুদ্রিক পথে পণ্য পরিবহন খাতের অন্যতম বৃহৎ প্রতিষ্ঠান মারেস্কের কন্টেনারবাহী জাহাজে হামলা চালায় হুথি বিদ্রোহীরা। ওই জাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পাশাপাশি ছোট নৌকায় চড়ে উঠে পড়ার চেষ্টা করে তারা। এই হামলার ঘটনায় ৪৮ ঘণ্টার জন্য লোহিত সাগরে তাদের আর কোনও জাহাজ চলাচল করবে না বলে ঘোষণা দেয়।

গত ২ ডিসেম্বর ইরানের নৌবাহিনীর প্রধান শাহরাম ইরানির বরাত দিয়ে দেশটির গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়, লোহিত সাগরে মিশন পরিচালনা করছে আলবোর্জ। পরে ১৪ ডিসেম্বর ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী মোহাম্মদ রেজা আশতিয়ানি লোহিত সাগরের বিষয়ে বলেন, যেসব অঞ্চলে আমাদের আধিপত্য আছে সেসব অঞ্চলে অন্য কেউ অগ্রসর হতে পারবে না। সূত্র: রয়টার্স।

এ জাতীয় আরও খবর

‘সাধারণ শ্রমিক এমন তাণ্ডব চালাতে পারে না’, বললেন রাশেদ খান

তাহসিফ হত্যা মামলায় দিশার দ্বিতীয় দফায় রিমান্ড

৩৫ বছরেই চলে গেলেন গায়িকা নিকোল টেলর

হরমুজে বাংলাদেশি জাহাজের নিরাপদ চলাচলে পাশে থাকবে ইরান

ইউনূসের ক্ষুদ্রঋণ ধারণায় বদলেছে ম্যাট ডেমনের কাজের ধরন

স্বর্ণের দামে বড় লাফ, ভরিতে বাড়ল ৩৩২৪ টাকা

৭ নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবসে সরকারের নানা আয়োজন

বুড়িমারী সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ব্যর্থ

ট্রাম্প-সমর্থিত প্রার্থীকে হারিয়ে কংগ্রেসে পিয়া ডান্ডিয়া

সিনেট হারাল ট্রাম্পের দল, নিয়ন্ত্রণে ডেমোক্র্যাটরা

মিরপুরে ১০ হাজারের বেশি পুলিশ মোতায়েন

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে চীনের সহায়তা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান