,

অনিয়মিত ঋতুস্রাব যেসব কারণে

news-image

যেকোনো বয়সী নারীর নানা কারণে অনিয়মিত ঋতুস্রাব হতে পারে। অনেকেই লজ্জায় সমস্যাগুলো নিয়ে, এমনকি চিকিৎসকের সামনেও মুখ খোলেন না। ফলে রোগটি আরও জটিলতার পর্যায়ে পৌঁছায় এবং জীবন দুর্বিষহ হয়ে ওঠে।
গর্ভধারণজনিত কারণে অনিয়মিত ঋতুস্রাব হতে পারে। ঋতুস্রাব সমস্যা শুরু হলে প্রথমে গর্ভধারণ টেস্ট (প্রেগন্যান্সি টেস্ট) করা দরকার। নির্ধারিত সময়ের পর রক্তক্ষরণ বন্ধ না হলে গর্ভপাতের আশঙ্কা বা একটোপিক (জরায়ুর বাইরে গর্ভধারণ) গর্ভধারণের আশঙ্কা থাকে। এ ক্ষেত্রে প্রেগন্যান্সি টেস্ট বা গর্ভধারণ পরীক্ষা জরুরি।
গর্ভনিরোধ বড়ি খাওয়ার ফলে অনিয়মিত ঋতুস্রাব হতে পারে। সন্তান জন্মদানের সময় ইনজেকশন গ্রহণ করলে অনিয়মিত মাসিক হতে পারে।
শারীরিক ওজন বাড়লে বা কমলে অনিয়মিত ঋতুস্রাব হতে পারে। অতিরিক্ত ওজন বৃদ্ধি থাইরয়েড রোগ এবং পলিসিস্টিক ওভারিয়ান রোগের আশঙ্কা বাড়ায়। আবার শারীরিক ওজন কমে গেলে তা ক্যান্সার, টিউবারকোলোসিস রোগ বাড়াতে পারে। এ ছাড়া শারীরিক ওজনের এই তারতম্য থাইরয়েড, অনিয়মিত ঋতুচক্র এবং ঘুমের মাত্রা বাড়ায়। তখন হরমোনজনিত এই রোগের চিকিৎসার প্রয়োজন হয়।
আবেগজনিত মানসিক চাপের ফলে অনিয়মিত ঋতুস্রাব হতে পারে। প্রস্রাবের রাস্তা বা জননাঙ্গে যক্ষ্মা, গনোরিয়া, সিফিলিস, এইডস, ডায়াবেটিস প্রভৃতির কারণেও অনিয়মিত মাসিক হতে পারে।
লক্ষণ
মাসে ২-৩ বার মাসিক বা ঋতুস্রাব হতে পারে।
শুরু হওয়ার ১-২ দিন পরই শেষ হয়ে যায় এবং কয়েক দিন পর আবার শুরু হয়।
একনাগাড়ে অনেক দিন ধরে চলতে পারে।
কোনো কোনো সময় স্বল্পকালীন মাসিক দেখা যায় এবং পরে মাসিক শুরু হলে তা প্রায় ২-৩ মাস পর্যন্ত চলতে থাকে।
রক্তস্বল্পতা বা এনিমিয়া দেখা দিতে পারে।
ক্ষুধামন্দা ও শরীর দুর্বল বোধ হয়।
মেজাজ খিটখিটে ও অস্বস্তি বোধ হয়।
জটিলতা
সন্তান ধারণে অক্ষমতা বা বন্ধ্যত্ব দেখা যেতে পারে। অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভধারণ বা গর্ভপাত হতে পারে।
টিউমার ও ক্যান্সারজনিত কারণে অনিয়মিত মাসিক হলে এবং সময়মতো উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে মৃত্যুঝুঁকির কারণ হতে পারে।
অনিয়মিত ঋতুস্রাব বন্ধে করণীয়
বিবাহিতরা জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি গ্রহণ বন্ধ করবেন না। কেননা, এ সময় গর্ভধারণের ঝুঁকি থেকেই যায়।
যদি আপনি জন্মনিয়ন্ত্রণের বড়ি নিয়মিত গ্রহণ করেন, সে ক্ষেত্রে এটা আপনার ঋতুস্রাব বন্ধ হওয়ার পরও চালিয়ে যেতে হবে।
শারীরিক এবং মানসিক চাপ কমিয়ে ফেলুন। নিয়মিত শরীরচর্চা, সুষম খাদ্য গ্রহণ এবং ক্যাফেইন জাতীয় খাবার পরিহার করুন।
নিকট পরিজনের সান্নিধ্যে মানসিকভাবে আশ্বস্ত করতে হবে। হালকা ব্যায়াম করতে হবে।

এ জাতীয় আরও খবর

মাদক প্রতিরোধে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সচেতন হওয়ার আহ্বান জেলা প্রশাসকের

প্রাণ-আরএফএল পাবলিক স্কুলে ৮ শিক্ষক নিয়োগ

নির্বাচন সামনে রেখে ‘ক্লিনহার্ট’ অভিযান নয়, অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা

নিরাপদ খাদ্য পরীক্ষার মোবাইল ল্যাব পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী

২৬ অক্টোবর থেকে কক্সবাজার যাবে মহানগর এক্সপ্রেস

বিএনপি নেতা সালাউদ্দিনের জানাজা সম্পন্ন

এলপিজি ব্যবসায়ীরা ধর্মঘট করলে আইনি ব্যবস্থা: জ্বালানিমন্ত্রী

চীনের ঋণ কমিয়ে যৌথ বিনিয়োগে যেতে চায় বাংলাদেশ

নবীনগরে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে পুলিশের প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত

আইভীর স্লোগানের পর আইনজীবীসহ গ্রেপ্তার ৩

উত্তরায় শ্রমিকদের অবরোধ, বিমানবন্দর সড়কে যানজট

গাজীপুরে ওষুধ কারখানায় ভয়াবহ আগুন, কাজ করছে ২০ ইউনিট