,

বিনিয়োগের জন্য বাংলাদেশকে বেছে নেওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

news-image

নিজস্ব প্রতিবেদক : বিনিয়োগের জন্য বিদেশিদের বাংলাদেশকে বেছে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, এই অঞ্চলের যে বিশাল জনগোষ্ঠী এটাও কিন্তু একটা বড় মার্কেটিং। সেটাও সবাইকে মনে রাখতে হবে। মার্কেটেও আবার চ্যালেঞ্জও। কাজেই সেটাও মোকাবিলার ব্যবস্থা নিতে হবে।

রোববার (১৩ নভেম্বর) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) ‘মেইড ইন বাংলাদেশ উইক-২০২২ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, এক পদ্মা সেতু হওয়ার পরে এখন দক্ষিণবঙ্গ থেকে খুব দ্রুত রাজধানীর সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়। তাছাড়া সারা বাংলাদেশে আমরা যোগাযোগ নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছি। একই দিনে একশোটি সেতু উদ্বোধন। সেই সূদূর পার্বত্য চট্টগ্রামে ৪৫টি সেতু তৈরি করা হয়েছে। এই যে বিরাট যোগাযোগ নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছি এটা শুধু বাংলাদেশ না, পাশাপাশি সাউথ এশিয়া এবং সাউথ ইস্ট এশিয়ার সঙ্গে আমরা যোগাযোগ ব্যবস্থা তৈরি করছি।

তিনি বলেন, আমাদের ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চলে আমরা দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ চাই। কারণ একই জায়গায় আপনি সব সার্ভিস পাবেন। বর্জ্য ব্যবস্থাপনা থেকে শুরু করে সবধরনের ব্যবস্থা থাকবে। কাজেই সেখানে আরও বিনিয়োগ হোক, বহুমুখী বিনিয়োগ হোক। একেক অঞ্চলভিত্তিক একেক পণ্য উৎপাদিত হয়। কৃষি প্রক্রিয়াজাত, খাদ্য প্রক্রিয়াজাত শিল্প গড়ে উঠুক। কারণ এর চাহিদা কোন দিন কমবে না নিজের দেশেও-বিদেশেও। সেটাও আমাদের মাথায় রাখতে হবে।

সরকারপ্রধান বলেন, আমাদের নীতিমালা হচ্ছে বিনিয়োগবান্ধব নীতি। একই সঙ্গে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের পণ্যের শুল্কমুক্ত, কোটামুক্ত সুবিধা। আমি কূটনৈতিক ও বিদেশি ব্যবসায়ীদের আহ্বান করছি উইন উইন পরিস্থিতির জন্য ব্যবসার সুবিধার্থে বিনিয়োগ ও সোর্সিংয়ের জন্য বাংলাদেশকে বেছে নিন। সব চাইতে উপযুক্ত জায়গা বাংলাদেশ।

তিনি বলেন, বিদেশি বিনিয়োগকে স্বাগত জানানোর জন্য আমি দেশের ব্যবসায়ীদেরও আহ্বান করবো আপনারও বিদেশি পাটনার খুঁজে নিন। আপনারা তাদের প্রযুক্তি জ্ঞান আমাদের শিল্পখাতে ব্যবহার করতে পারেন। আমাদের দেশের পরিবেশও চমৎকার এই পরিবেশ বিনিয়োগের জন্য বিদ্যমান রয়েছে। সেই সুযোগটা নেবেন। সেই সঙ্গে সঙ্গে বাংলাদেশে আমাদের যোগাযোগ ব্যবস্থা, এশিয়ান রেলওয়ে ও এশিয়ান হাইওয়ের সঙ্গেও আমরা যুক্ত হচ্ছি।

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে আমরা একটা কঠিন অবস্থার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি শুধু আমরা না সারা বিশ্ব। এদিকে করোনার ভয়াবহতা, তার অভিঘাতে সারাবিশ্বে অর্থনৈতিক মন্দা, মূল্যস্ফীতি। তার ওপর শুরু হয়েছে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, স্যাংশন কাউন্টার স্যাংশন। এর ফলে শুধু বাংলাদেশ নয়, বিশ্বের উন্নত দেশগুলোও আজকে অর্থনৈতিকভাবে হিমশিম খাচ্ছে। নানা ধরেনের অসুবিধা আমাদের মোকাবিলা করতে হচ্ছে। কাজেই যুদ্ধ বন্ধ হোক সেটা আমরা চাই। এই স্যাংশন কাউন্টার স্যাংশন বন্ধ হোক। সহজভাবে প্রত্যেকটা দেশের মানুষ যেন তার ব্যবসা বাণিজ্য করতে পারে।

এসময় শেখ হাসিনা বলেন, পোশাক শিল্পের আগামী দিনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। বাজার সম্প্রসারণ ও গ্রাহকের ক্রয় ক্ষমতা বাড়াতে দেশি ব্যবসায়ীদের বৈদেশিক অংশীদার খুঁজে নিতে হবে।

 

এ জাতীয় আরও খবর

বিদায়ি বক্তব্যে কাঁদলেন মির্জা ফখরুল

গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ১৪ কার্গো এলএনজি কিনবে সরকার

১২ জেলায় ঝড়ো হাওয়ার সতর্কতা

ময়মনসিংহে এনসিসি ব্যাংকের স্টুডেন্ট ব্যাংকিং ক্যাম্পেইন ও বৃক্ষবিতরণ অনুষ্ঠিত

বিএসইসির ১৭ কর্মকর্তা বাধ্যতামূলক অবসরে

অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশকে ঘিরে বাড়ছে আগ্রহ

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেকের সভা

জিয়া-খালেদার সমাধিতে বিএনপির নতুন ৪ নেতার শ্রদ্ধা

সমাজের সবাই এগিয়ে এলে বড় সমস্যার সমাধান সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী

ইসলামি ব্যাংকগুলোর আমানতে বড় পতন

রাষ্ট্রপতি হলেও জনগণের পাশে থেকে সেবা করতে চাই: মির্জা ফখরুল

গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাসে যা করবেন, যা করবেন না