,

একই দিনে জোড়া ধাক্কার মুখে ট্রাম্প

news-image

 

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :একই দিনে জোড়া ধাক্কার মুখে পড়লেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। কংগ্রেসে এফবিআই কর্তা জানিয়েছেন, সহযোগীদের সঙ্গে রাশিয়ার সম্পর্ক তদন্ত করে দেখছেন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে মস্কোর ভূমিকা নিয়ে তদন্তের কথা। আমেরিকার ইতিহাসে যা বিরল ঘটনা। সাধারণত কোনো তদন্তের কথা এভাবে স্বীকার করে না এফবিআই। এটি প্রথম ধাক্কা।

দ্বিতীয় এফবিআই কর্তা জেমস কোমে সাফ জানিয়েছেন, ওবামার ফোনে আড়ি পাতার যে অভিযোগ ট্রাম্প করেছেন তার সপক্ষে কোনো প্রমাণ খুঁজে পাননি তাঁরা। স্বাভাবিক ভাবেই দিনের বিড়ম্বনায় প্রেসিডেন্ট।

তবে হোয়াইট হাউস পিছু হটছে না। কি প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জেতার জন্য মস্কোর কাছ থেকে সাহায্য নিয়েছিল ট্রাম্প শিবির?

মার্কিন কংগ্রেসে উপস্থিত হয়ে সেই সংক্রান্ত ‘তথ্য প্রমাণ ’ই দিলেন দুই গোয়েন্দা সংস্থার প্রধান। -এর ডিরেক্টর জেমস কোমে এবং এনএসএ -র প্রধান মাইক রজার্স।

দুই সংস্থাই এর আগে দাবি করেছে, মার্কিন নির্বাচন প্রভাবিত করার নির্দেশ দিয়েছিলেন রুশ প্রেসিডেন্ট নিজেদের এই দাবির সপক্ষেই এ বার তারা কথা বললেন ‘ইনটেলিজেন্স কমিটি ’র সামনে। যারা এই অভিযোগের করছে।

এদিকে কংগ্রেসের এই ‘ওপেন’ শুনানির আগেই তরজা হয়ে যায় দুই দলের মধ্যে। ফেব্রুয়ারিতে আমেরিকার গোয়েন্দা সংস্থাগুলো বলেছিল, মস্কোর নির্দেশে ভোটের আগে ইমেল হ্যাক করা হয়েছিল, যাতে ট্রাম্পের জয়ের পথ সহজ করে দেয়া পরে আরো একধাপ এগিয়ে এই বিতর্কের সঙ্গে সরাসরি পুতিনের নাম জুড়ে দেয়, এফবিআই, এনএসএ -র মতো মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো।

তার পর থেকেই ট্রাম্প শিবিরের একের পর এক সদস্যের সঙ্গে রুশ কর্মকর্তাদের আঁতাঁতের অভিযোগ উঠছে। তালিকায় সবার ওপরে নাম মাইকেল ফ্লিনের। রাশিয়ার দূতের সঙ্গে আলোচনার কথা লুকিয়ে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা হয়েছিলেন যিনি।

খবর প্রকাশ্যে আসার পর পদ হারাতে হয় তাকে। এরপরে রুশ -যোগের অভিযোগে বিদ্ধ হন অ্যাটর্নি জেনারেল জেফ সেশনস। তিনি অবশ্য এখনো অভিযোগ অস্বীকার করে চলেছেন। এই যাবতীয় বিতর্ক নিয়েই নিজেদের বক্তব্য পেশ করেন দুই গোয়েন্দা কর্তা। প্রথমে বলেন জেমস কোমে।

স্পষ্ট ভাষায় তিনি জানান, নির্বাচনে রাশিয়ার বিরুদ্ধে কলকাঠি নাড়ার যে অভিযোগ উঠেছে, তা নিয়ে তদন্ত করছেন তারা। যে তদন্তের পরিধির মধ্যে আনা হয়েছে প্রেসিডেন্টের সহযোগীদের সঙ্গে মস্কোর যোগাযোগের অভিযোগকেও।

এ দিকে শুনানির আগে থেকেই জোর বিতর্ক শুরু হয়ে গেছে রিপাবলিকান এবং ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে।

সংশ্লিষ্ট তদন্ত কমিটির চেয়ারম্যান রিপাবলিকান ডেভিন নান্সের দাবি, তদন্তে এমন কোনো তথ্য মেলেনি যাতে বলা যায়, দু’তরফের মধ্যে কোনো আঁতাঁত হয়েছে। কার্যত ভিন্ন সুরে এই কমিটির ডেমোক্র্যাট সদস্যের দাবি, আঁতাঁতের পারিপার্শ্বিক তথ্য প্রমাণ রয়েছে। সেটা তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার পক্ষে যথেষ্ট। ডোনাল্ড ট্রাম্প অবশ্য ইতোমধ্যেই এই তদন্তকে ‘উইচ হান্ট ’ বলে মন্তব্য করেছেন।

এদিকে ওবামার বিরুদ্ধে করা ‘আড়ি পাতা ’র অভিযোগ নিয়ে ক্রমেই চাপ বাড়ছে ডনের ওপর। কারণ, গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর পাশাপাশি এই অভিযোগ খারিজ করে দিয়েছেন অধিকাংশ ডেমোক্র্যাট এবং রিপাবলিকানই। এমনকি, ট্রাম্পের নিজের দলেরই অনেকে মনে করেন, এই অভিযোগের সারবত্তা না পাওয়া গেলে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়া উচিত প্রেসিডেন্টের।

এ জাতীয় আরও খবর

নবীনগরে গাড়ির ধাক্কায় বেকারি লাইনম্যান তামিম নিহত

পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ৫ ডিআইজি

যেভাবে সময় কাটছে বুবলীর

তপ্তদহনে পুড়ছে মানুষ, কমছে কর্মঘণ্টা, ক্ষয়ে যাচ্ছে জিডিপি

২২ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২৬ হাজার ৪২০ কোটি টাকা

অ্যাভোকাডো খাওয়া যে কারণে উপকারী

পাড্ডিক্যালের সেঞ্চুরিতে বড় সংগ্রহের পথে ভারত

নতুন রূপে আসছে শাকিবের ‘অপারেশন অগ্নিপথ’

বাংলাদেশের ভুতুড়ে ব্যাটিংয়ে ম্যাকাইয়ে রেকর্ডের ছড়াছড়ি

ডেঙ্গুতে ৫ মৃত্যু, হাসপাতালে ৮৩৯

নবীনগরে ‘হোপ’-এর উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও আলোচনা সভা

রোহিঙ্গাদের মানবাধিকার রক্ষায় মিয়ানমারকে অবশ্যই কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে