,

মরন ফাঁদ! ঝুঁকিতে ২ লক্ষাধিক লোক

Sarail Pic(bridge)19.02.16মাহবুব খান বাবুল, সরাইল (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) থেকে : ছোট একটি সেতু। কিন্তু গুরুত্ব অনেক। এটির উপর দিয়ে তিন ইউনিয়নের ২ লক্ষাধিক লোকের যাতায়ত। সেতুটির দু’দিকের রেলিং ভেঙ্গে গেছে অনেক আগেই। সেতুর উত্তর পাশে ঢালাই ধ্বসে বিশাল ফুটো তৈরী হয়েছে। কয়েকটি দূর্বল রড দেখা যায়। খুবই ভয়ঙ্কর। যে কোন সময় ফুটো দিয়ে নীচে পড়ে প্রাণহানী ঘটতে পারে। পাশের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য ওই সেতুটি এখন আতঙ্ক। গত এক বছর ধরে সরাইল-অরুয়াইল সড়কের চুন্টা কালিমন্দির সংলগ্ন সড়কে সেতুটির এ দূরাবস্থা চলছে। একই সড়কের সরাইলের বেপারী পাড়ার সেঁতুটিতেও তৈরী হয়েছে আরেকটি ফুটো। বন্ধ নেই যান চলাচল। তিন ইউনিয়নের লোকজন জীবনের ঝুঁকি নিয়েই চলছে ওই সেঁতুর উপর দিয়ে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের এ বিষয়ে কোন মাথা ব্যাথা নেই। সরজমিনে দেখা যায়, ১৭ গ্রামের মানুষের স্বপ্ন পূরণ করেছে যে সরাইল-অরুয়াইল সড়ক। সেই সড়কের ৪ কোটি টাকার সংস্কার কাজে এখন ধীরগতি। গত দুই বছর ধরে লোকজন চরম দূর্ভোগ পোহাচ্ছে। এরপর চুন্টা কালিমন্দির সংলগ্ন সেঁতুর বিশাল আকৃতির ফুটো। এটা যেন মরার উপর খারার ঘাঁ। চুন্টা অরুয়াইল ও পাকশিমুল ইউনিয়নের ২ লক্ষাধিক লোক এ সেঁতুটির উপর দিয়ে দিনে রাতে যাতায়ত করছে উপজেলা জেলাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে। পার হচ্ছে নানা বয়সের রোগী। আশপাশের বেশ কয়েকটি মাধ্যমিক, প্রাথমিক,কিন্ডার গার্টেন স্কুল ও কয়েকটি মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের যাতায়ত এ সেঁতুটি দিয়ে। সিএনজি চালকরাও রাতের বেলা ওই ফুটোর কারনে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে। অনেকে দিনের বেলা হঠাৎ ব্রেক করে দূর্ঘটনায় পড়েছেন। ফলে যে কোন সময় বড় ধরনের প্রাণহানীর আশঙ্কায় ভুগছেন স্থানীয় লোকজন। সিএনজি চালক বিল্লাল মিয়া বলেন, আতঙ্কে আছি। অনেক সময় ফুটোর কথা ভুলে যায়। সেঁতুতে উঠার পর হঠাৎ মনে পড়ে। ১৯৭৭ সালে নির্মিত জন গুরুত্বপূর্ণ এ সেঁতুটির এখন বেহাল দশা। সেঁতুটির উত্তর পাশের ফুটোটি এখন মরন ফাঁদে পরিনত হয়েছে। চুন্টার অলিগলিতে স্থানীয় রাজনৈতিক দলের নেতা কর্মী ও জনপ্রতিনিধিরা কোটি কোটি টাকার কাজ করছেন। অথচ ঝুঁকিপূর্ণ ওই সেঁতুটি সংস্কারে কারো কোন মাথা ব্যাথা নেই। নীরব উপজেলা প্রকৌশলীর অধিদপ্তরও। সেঁতু সংলগ্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ এনায়েত উল্লাহ বলেন, সেঁতুটির দক্ষিণ পাশের শিশু শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ে আসা যাওয়ার পথে ফুটো দিয়ে নীচে পড়ে যাওয়ার আতঙ্কে থাকি সর্বক্ষণ। চুন্টা এসি একাডেমির প্রধান শিক্ষক প্রধান শিক্ষক মোঃ হাবিবুর রহমান নান্নু বলেন, জরুরী ভিত্তিতে সেঁতুটি মেরামত করা প্রয়োজন। বেশ কিছুদিন আগে একটি শিশু বাচ্চা এ ফুটো দিয়ে পড়ে গুরুতর আহত হয়েছে। রসুলপুর করাতকান্দি আজবপুর ও বড়বুল্লা গ্রামের ৪ শতাধিক ছেলে মেয়ে আতঙ্ক উৎকন্ঠা নিয়ে এ সেঁতু পার হয়ে বিদ্যালয়ে আসে। উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) মোঃ এমদাদুল হক ওই সেঁতুসহ চুন্টায় আরেকটি সেঁতুতে ফুটোর কথা স্বীকার করে বলেন, ফেব্রুয়ারীর প্রথম দিকে আমরা লিখিত ভাবে বিষয় গুলো উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। এর বেশী তো আমাদের কিছু করার নেই।

এ জাতীয় আরও খবর

ইন্টারনেট ব্যবহার বাড়লেও নিজস্ব মোবাইল নেই ৩৪ শতাংশের

জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সরকার পিছিয়ে যাচ্ছে: বিরোধী নেতারা

পাপ্পু হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হলো মাইটিভির সাথীকে

ইশরাকের অস্ত্র প্রদর্শন, আইনের ব্যত্যয় পেলে ব্যবস্থা

সাংবিধানিক অধিকার রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

উইলিয়ামস সোয়েটার্সের বিরুদ্ধে ১৩ কোটি টাকার শুল্ক ফাঁকির অভিযোগ

দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, সৌদির কাছে ব্যাখ্যা চাইল ঢাকা

অস্ত্র প্রদর্শনের কারণ জানালেন প্রতিমন্ত্রী ইশরাক

ডেঙ্গুতে আরও ৬ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২ হাজারের বেশি

কাতারে গ্রেপ্তার বিমান বাহিনীর সাবেক প্রধান হান্নান

হামের উপসর্গে আরও ৭ জনের মৃত্যু, মোট ১১৯৬

কাঁধের হাড় ভাঙা ও অস্টিওপোরোসিস: লক্ষণ, পরীক্ষা ও চিকিৎসা