,

পরিবেশ অধিদপ্তরের লিখিত ও পৌর কর্তৃপক্ষের মৌখিক নির্দেশ উপেক্ষা করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুকুর ভরাট

Brahmanbaria Pic-02নিজস্ব প্রতিবেদক : ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পরিবেশ অধিদপ্তরের লিখিত ও পৌর কর্তৃপক্ষের মৌখিক নির্দেশ উপেক্ষা করে পৌর এলাকার কাজীপাড়ায় একটি পুকুর ভরাট চলছে। পরিবেশ অধিদপ্তর থেকে লিখিতভাবে ও পৌরসভা থেকে মৌখিকভাবে পুকুর ভরাট বন্ধ রাখার কথা বলা হলেও তা মানছেনা পুকুরের মালিক। 
সর্বশেষ গত মঙ্গলবার রাতেও ট্রাক্টর দিয়ে পুকুরে মাটি ফেলা হয়। । 
এলাকাবাসী ও অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, পৌর এলাকার কাজীপাড়া গ্রামের জেলা ঈদগাহ মাঠের পশ্চিম পাশের একটি পুকুর গত কয়েক মাস আগে ভরাট শুরু করে পুকুরের মালিক মোঃ আসাদ উল্লা। বিষয়টি এলাকাবাসী পরিবেশ অধিদপ্তরে অভিযোগ করলে অভিযোগের প্রেক্ষিতে গত বছরের ৬ নভেম্বর পরিবেশ অধিদপ্তর পুকুর ভরাট না করার জন্য আসাদ উল্লাকে চিঠি দেয়া হয়।
পরিবেশ অধিদপ্তরের চিঠি পেয়ে পুকুর মালিক আসাদ উল্লা পুকুর ভরাট করবেন না মর্মে উল্লেখ করে ভরাট করা মাটিও সরিয়ে নিবেন বলে লিখিতভাবে পরিবেশ অধিদপ্তরকে অবহিত করেন।
পরবর্তীতে চলতি মাসের ( ফেব্রুয়ারি) ২১ তারিখ থেকে আসাদ উল্লা পুনরায় পুকুরটি ভরাট করতে থাকলে এলাকাবাসী বিষয়টি পৌর মেয়র এবং পরিবেশ অধিদপ্তরকে অবহিত করেন।
এলাকাবাসীর অভিযোগ পেয়ে পৌর মেয়র মোঃ হেলাল উদ্দিন পুকুরটি না ভরাট করার জন্য পুকুর মালিককে মৌখিকভাবে নির্দেশ দেন এবং গত ২২ ফেব্রুয়ারি পরিবেশ অধিদপ্তর পুকুর মালিক মোঃ  আসাদ উল্লাকে পুনরায় চিঠি দেন। পরিবেশ অধিদপ্তরের চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, ‘গত ২১/০২/১৫ হতে আপনি পুনরায় উক্ত পুকুরটি ভরাট করছেন মর্মে অভিযোগ পাওয়া গিয়াছে। যা পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ (সংশোধিত ২০১০) এর উপধারা ৬ (ঙ) এবং জলাধার সংরক্ষণ আইন ২০০০ সনের ৩৬ নং আইন অনুযায়ি একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এ আইনে ভরাটকারীর বিরুদ্ধে কারাদন্ডসহ অর্থদন্ডের বিধান রয়েছে। 
এ ব্যাপারে পুকুর মালিক মোঃ আসাদ উল্লা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘পুকুরে থাকা আমার ব্যক্তি মালিকানা জায়গায় রাস্তা নির্মাণের জন্য মাটি ফেলার কাজ শুরু করেছিলাম। কিন্তু পরিবেশ অধিদপ্তরের চিঠি পাওয়ার পর মাটি ভরাট কাজ বন্ধ রাখা হয়েছে।
এ ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পৌর মেয়র মোঃ হেলাল উদ্দিন বলেন, পুকুর ভরাট না করার জন্য আমি দু’বার মৌখিকভাবে নির্দেশ দিয়েছে। তিনি বলেন এ ব্যাপারে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ ব্যাপারে পরিবেশ অধিদপ্তর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উপ-পরিচালক মোঃ ছায়েফ উল্ল্যা তালুকদার বলেন, ‘প্রথম দফার নোটিশ দেওয়ার পর পুকুরে মাটি ভরাট কাজ বন্ধ না রাখায় গত ২২ ফেব্রুয়ারি আরেকটি নোটিশ দেওয়া হয়। ওই দিনই পুলিশ নিয়ে গিয়ে মাটি ভরাট কাজ বন্ধ রাখা হয়। ভরাটকৃত মাটি সরিয়ে নেওয়া না হলে প্রয়োজনে মামলা করা হবে।

 

এ জাতীয় আরও খবর

ইউক্রেনকে স্টর্ম শ্যাডো ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির প্রযুক্তি দেবে যুক্তরাজ্য

বিএনপি সরকার ৬ মাসে সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ: নাহিদ ইসলাম

বাংলাদেশে বিনিয়োগে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের প্রতি আহ্বান

মঙ্গলবার পবিত্র সিরাতুন্নবী (সা.) অনুষ্ঠান উদ্বোধন করবেন রাষ্ট্রপতি

নতুন সরকারের প্রথম ছয় মাসে অর্থনীতির কাঙ্ক্ষিত পুনরুদ্ধার হয়নি: দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য

ইবির ৪৪ শিক্ষকের বিষয়ে তদন্ত প্রতিবেদন জমা

সবাই রেডি হলে স্থানীয় নির্বাচন হবে: সিইসি

ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ৯৯৪

বাণিজ্যমন্ত্রী ও ভারতীয় হাইকমিশনারের বৈঠক, যেসব বিষয়ে আলোচনা

রংপুরে ৪ হত্যাকাণ্ড নিয়ে যে তথ্য দিল ফরেনসিক বিভাগ

শিক্ষার্থীদের মিড-ডে মিলের মান নিয়ে যেন আপস না করা হয়: প্রধানমন্ত্রী

হাইকোর্টের রায়ে সন্তুষ্ট নুসরাতের মা