,

১৫ মিনিটের বৃষ্টিতেই রাস্তায় হাঁটু পানি!

water bbariaনিজস্ব প্রতিবেদক : মাত্র ১৫ মিনিটের বৃষ্টিতেই ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের প্রধান রাস্তাসহ কয়েকটি রাস্তা ডুবে একাকার হয়ে গেছে। হাঁটু পানি হয়েছে বেশ কয়েক জায়গায়। 

ভারি বৃষ্টি হলেই ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরবাসীকে জলাবদ্ধতার চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। ঘণ্টা খানেকের বৃষ্টিতে সপ্তাহব্যাপী দুর্ভোগে পড়েন শহরবাসী। 


শহরের বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীরা জানান, রাস্তা-ঘাট এবং ড্রেনের সংস্কার না করার কারণেই এই অবস্থা। আসন্ন বর্ষা মৌসুমে এ দুর্ভোগ আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা তাদের।


নিয়মিত রাস্তা-ঘাট এবং ড্রেন সংস্কার না করায় সামান্য বৃষ্টি হলেই এর পানি আটকে গিয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলোতে জলাবদ্ধতা তৈরি করে। শহরের পূর্ব পাইকপাড়া সড়ক, পশ্চিম পাইকপাড়া বোর্ডিং মাঠ সড়ক, মুন্সেফ পাড়া, ফুলবাড়িয়া, কুমারশীল মোড়, ডা. ফরিদুল হুদা সড়ক, মহাদেব পট্টি, জেলা পরিষদ সংলগ্ন টি.এ রোড, বণিক পাড়া, গোকর্ণ রোড, সরকার পাড়া, কাজী পাড়া ঈদগাঁ মাঠ সংলগ্ন সড়ক, ডাক বাংলোর মোড় ও স্টেশন রোড এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। পানি সরানোর ব্যবস্থা না থাকায় জলাবদ্ধতা এসব এলাকায় এক থেকে দেড়দিন পর্যন্ত স্থায়ী হয়। 

 

শহরের স্টেশন রোড এলাকায় বৃহস্পতিবার বিকেলে সরেজমিনে দেখা গেছে, অল্প বৃষ্টিতেই এই সড়কে পানি জমেছে। স্থানীয় লোকজন জানিয়েছে, মাত্র ১০ থেকে ১৫ মিনিট বৃষ্টি হলেই এ সড়কটি প্রায় এক ফুট পানির নিচে তলিয়ে যায়। খানাখন্দে ভরপুর সড়কটির অবস্থা অত্যন্ত নাজুক।

জেলা পরিষদ মার্কেটের এসআর টেলিকমের সত্বাধিকারী হাসান উদ্দিন শুভ বলেন, ঠিকাদারেরা যাচ্ছে তাই ভাবে ড্রেন নির্মাণ করেন। ফলে, এর জন্য দুর্ভোগ পোহাতে হয় শহরবাসীর। পৌর কর্তৃপক্ষ এসব দেখেও না দেখার ভান করে।  

শহরের কালাইশ্রীপাড়া এলাকার বাসিন্দা চয়ন মোদক বলেন, ‘সামান্য বৃষ্টি হলেই ফরিদুল হুদা সড়কের প্রবেশদ্বার ডুবে যায়। পরে কাঁদাপানি মাড়িয়ে আমাদের চলতে হয়’।


একই এলাকার বাসিন্দা কলেজছাত্রী সুরভী দেব বলেন, ‘বৃষ্টি শেষ হয়ে গেলেও আমাদের এ সড়কের কাদাপানি শেষ হয় না। এ যেন আমাদের নিয়তি’।


শিমরাইলকান্দি এলাকার বাসিন্দা আইনজীবী তারেকুল ইসলাম মৃধা নোমান বলেন, শহরের প্রধান সড়ক টি.এ রোডসহ সবকটি সড়কই ভাঙাচোরা। সড়কগুলো দেখলেই বোঝা যায় শহরবাসী কতটা দুর্ভোগ পোহাচ্ছে।  


এ বিষয়ে জানতে চাইলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার মেয়র মো. হেলাল উদ্দিন বলেন, শহরের বেশিরভাগ ড্রেনই বিগত মেয়রের আমলে নির্মিত। আমরা এখনো ড্রেন নির্মাণ কাজে (স্টিপ-২ প্রকল্প) হাত দেইনি। 

তাছাড়া জলাবদ্ধতার জন্য স্থানীয় বাসিন্দাদের অসচেতনতাকেও দায়ী করলেন তিনি। 

মেয়র বলেন, লোকজন ড্রেনের মধ্যে ময়লা আবর্জনা ফেলে রাখে। ফলে পানি আটকে যায়। 

 

এ জাতীয় আরও খবর

আলমনগরে মেধাবীদের বৃত্তি ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ, উন্নয়নে অগ্রাধিকারের আশ্বাস এমপি আব্দুল মান্নানের

প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করলেন ইশরাক হোসেন

পূজার আয়োজনে ঘরেই বানান নারিকেলের নাড়ু

লোকসান ও বিদ্যুৎ বিলের চাপে বন্ধ হচ্ছে উল্কা সিনেমা হল

সব সম্প্রদায়ের অধিকার রক্ষার কথা বলল বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ: রিজভী

মঙ্গলবার থেকে টানা ৫ দিনের ছুটি, ছুটিতে থাকবেন না যারা

ঢাকায় তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকার আভাস

ফ্রান্সে বিক্ষোভ-সহিংসতা, গ্রেপ্তার ২ হাজার ৪০০

সেঞ্চুরির পর ঘরোয়া ক্রিকেটের প্রশংসায় আগা সালমান

টাইগার শ্রফকে লক্ষ্য করে গুলি, অল্পের জন্য রক্ষা

জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ ও আধুনিক ওসমানী উদ্যান উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর

ফ্রান্সে সহিংসতা, অপরাধীদের শাস্তির হুঁশিয়ারি ম্যাক্রনের