মহামারিতে কীভাবে পার্টি করা যায়, নেদারল্যান্ডসে গবেষণা চলছে

news-image

অনলাইন ডেস্ক : করোনা মহামারি আসার আগে সেভাবে পার্টি করা যেত, এখনও ঠিক সেভাবে সংগীত, উদ্দাম নৃত্য, হাতে বিয়ার, মাস্ক ছাড়া গা ঘেঁষে সবাই দাঁড়িয়ে পার্টি করা যায় কি না, তা ভাবছে নেদারল্যান্ডস। এ জন্য সম্প্রতি দেশটির সরকারের অনুমোদন নিয়ে নেদারল্যান্ডসের ছোট্ট একটা গ্রাম বিডিংগুইজেনে এক উৎসবের আয়োজন করা হয়।

সেখানে ঠিক আগের মতোই মাস্ক ছাড়া গা ঘেঁষে সবাই দাঁড়িয়ে পার্টির আয়োজন করা হয়। আর এটিকে বলা হয়েছে ‘ব্যাক টু লাইভ’ ফেস্টিভাল, যা ছিল পরীক্ষামূলক আয়োজন।

এই আয়োজনের মাধ্যমে গবেষকেরা দেখতে চেয়েছিলেন যে, করোনা সত্ত্বেও ঠিক কতজন মানুষ এক জায়গায় জমায়েত হতে পারে। উৎসব স্থানে ঢোকার মুখে শরীরের তাপমাত্রা পরীক্ষার ব্যবস্থা ছিল। এ ছাড়া ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে করা করোনা টেস্টের নেগেটিভ সার্টিফিকেট দেখানো বাধ্যতামূলক ছিল, গলায় একটা সেন্সর লাগানো ছিল, যেটি ব্যক্তির চলাফেরা ট্র্যাক করতে পারে।

নিনকে আর লারা এ ধরনের উৎসবে যাওয়ার সুযোগ কখনোই হাতছাড়া করতেন না। ২২ বছর বয়সী এই দুই তরুণ-তরুণী জানালেন, তাই এই উৎসবের টিকিট পেয়ে তারা ভীষণ উচ্ছ্বসিত ছিলেন। এমনকি উৎসবের ডিজে রাইনিয়ার জোনেভেল্ডও ভীষণ উচ্ছ্বসিত হন। তিনি জানালেন, এই অনুষ্ঠানে বাজানোর জন্য যখন তাকে বলা হয়েছিল, ব্যাপারটা তার কাছে অবিশ্বাস্য মনে হচ্ছিল।

ডাচ সরকার এবং নেদারল্যান্ডসের ইভেন্টস সেক্টরের যৌথ উদ্যোগে এ ধরনের পরীক্ষামূলক পার্টির আয়োজন করা হচ্ছে। শনিবারের আয়োজন ছিল সপ্তম পরীক্ষা। এই গবেষণার উদ্দেশ্য হলো: করোনায় কীভাবে কনসার্ট, নাটক, খেলা ও সম্মেলন নিরাপদে আয়োজন করা যেতে পারে, তা দেখা।

প্রোগ্রাম ম্যানেজার পিটার লুবার্টস জানালেন, দুই সপ্তাহ আগে একটা নাচ পার্টির আয়োজন করা হয়েছিল। ৬টা গ্রুপে ভাগ করা হয়েছিল অংশগ্রহণকারীদের। প্রত্যেক দলের ভিন্ন নিয়ম ছিল। কেউ মাস্ক পরেছিল, কেউ স্বাভাবিকভাবে ঘুরে বেড়াচ্ছিল।

গবেষকরা তাদের আচরেণ পর্যবেক্ষণ করে অন্য আয়োজনের সাথে সেটার তুলনা করে দেখেছেন।

নিজমেগেনের রাডবোড বিশ্ববিদ্যালয়ের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ বিভাগের অধ্যাপক আন্দ্রেয়াস ফস জানান, ‘বিডিংগুইজেনে ১৫শ’ মানুষ অংশ নিয়েছিল। কিন্তু আমরা কয়েকটি ছোট গ্রুপে তাদের ভাগ করে দিয়েছিলাম এবং বলেছিলাম যাতে অন্য গ্রুপের সাথে না মেশে।’

তবে আন্দ্রেয়াস স্বীকার করেন যে, আগের পরীক্ষাগুলোর তুলনায় এবারের আয়োজনে উদ্বিগ্ন ছিলেন তিনি। প্রথম ছয়টি পরীক্ষার ফলাফলে আশ্বস্ত হয়েই এবারে বড় আয়োজনের ব্যবস্থা করেছিলেন তারা। সাতটি পরীক্ষায় ছয় হাজার মানুষ অংশ নিয়েছিল এবং তাদের মধ্যে মাত্র পাঁচজনের দেহে সংক্রমণ ধরা পড়েছে। তবে এখনই চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর সময় আসেনি বলে জানিয়েছেন আন্দ্রেয়াস।

তিনি জানান, ডাচ কর্তৃপক্ষ এখনো ফলাফলের মূল্যায়ন করেনি। তবে তিনি আশা করেন, গ্রীষ্মে বড় কনসার্ট ও ফুটবল ম্যাচের আয়োজন করা সম্ভব হবে। তবে তিনি যতই আশাবাদী হোন না কেনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত অবশ্যই নেবেন রাজনীতিবিদরা। গবেষকদের কাজ শেষ, এখন অপেক্ষা অনুমোদনের। সূত্র: ডয়চে ভেলে

এ জাতীয় আরও খবর

মার্কিন কোম্পানিকে বঙ্গোপসাগরে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের আমন্ত্রণ

রাজধানীর ৫ হাসপাতালে চালু হচ্ছে পিপিপি পদ্ধতিতে উন্নত চিকিৎসা সেবা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

২০২৭ সালের সরকারি ছুটির তালিকা প্রকাশ

নতুন বাড়িতে ওঠার সময় যে বিষয়গুলো খেয়াল করবেন

চুলে নজরকাড়া সাজ, পূর্ণিমা যেন অষ্টাদশী তরুণী!

‘ম্যাজিক বস’ নিলয় আলমগীর

আদালত প্রাঙ্গণে ক্ষুব্ধ পরীমনি

১৩১ রানের জুটি ভাঙলেন হাসান মাহমুদ

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মিছিল থেকে ককটেল নিক্ষেপ, পুলিশ আহত

এআই যেন বেকারত্বের সংকট আরও না বাড়ায়, সতর্ক করলেন রাষ্ট্রপতি

হত্যা মামলায় ইকবাল সোবহানকে কারাগারে রাখার আবেদন

মোংলা থেকে উত্তরাঞ্চল পর্যন্ত জ্বালানি অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে : প্রধানমন্ত্রী