কক্সবাজারের মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ প্রকল্পে কাজ করতে রাজি নন শ্রমিকরা, ধর্মঘট চলছে

news-image

নিউজ ডেস্ক : করোনা মহামারিতে সারাদেশে কাজকর্মে স্থবিরতা নামলেও থেমে নেই কক্সবাজারের মাতারবাড়িতে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণকাজ। তবে শ্রমিকদের একাংশ নিরাপত্তার জন্য কাজ বন্ধ রাখার দাবিতে ধর্মঘটে গেছেন। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান শ্রমিকদের কাজ করতে বাধ্য করছে। কাজে না গেলে চাকরি থাকবে না বলে হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন শ্রমিকরা। বিদ্যুৎ বিভাগ কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশনা দিলেও প্রকল্পের তত্ত্বাবধানকারী প্রতিষ্ঠান কোল পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি (সিপিজিসিবিএল) এখনও কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

সূত্র জানিয়েছে, গত বৃহস্পতিবার থেকে কক্সবাজারের মাতারবাড়িতে নির্মাণাধীন কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের শ্রমিকরা বিদ্যুৎ প্রকল্প এলাকাটি লকডাউনের দাবি জানান। শ্রমিকদের আরও দুটি দাবি ছিল। তা হলো, লকডাউন অবস্থায় শ্রমিকের তিন মাস বেতন দিতে হবে ও কোনো শ্রমিককে ছাঁটাই করা যাবে না। এ দাবিতে তারা শুক্রবারও কাজে অংশ নেননি। মাতারবাড়িতে বিদ্যুৎ প্রকল্পের ঠিকাদার জাপানি সংস্থাগুলো আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে শ্রমিক নেয়। এখানে বর্তমানে প্রায় তিন হাজার শ্রমিক কাজ করছেন।

নাম না প্রকাশ করার শর্তে কয়েকজন শ্রমিক সমকালকে জানান, তারা এখনও মার্চের বেতন পাননি। হাতে কোনো টাকা নেই। এ অবস্থায় জাপানি কর্মকর্তাদের কাছে বেতন ও লকডাউনের দাবি জানালে তারা বলছেন, কোনো টাকা দেওয়া হবে না, কাজ করলে চাকরি থাকবে। কেউ চলে যেতে চাইলে চলে যাক।

জানতে চাইলে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, সব নির্মাণকাজ বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে। ইতোমধ্যে পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্রের নির্মাণকাজ বন্ধ রাখা হয়েছে। মাতারবাড়ির কাজও বন্ধ করতে বলা হয়েছে। এজন্য কোনো শ্রমিকের চাকরি যাবে না।

তবে সিপিজিসিবিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আবদুল মোত্তালিব জানান, সেখানে বিদেশি ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান কাজ করছে। তারা তাদের মতো শ্রমিক দিয়ে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। এ বিষয়ে তাদের করণীয় কিছু নেই। যদি বিদেশিরা কাজ চালিয়ে যেতে চায়, তাহলে কাজ চলবে। তারা কেন মানা করবেন।

বাংলাদেশ সরকার ও জাইকার অর্থায়নে ৩৫ হাজার ৯৮৪ কোটি টাকা ব্যয়ে কপবাজারের মাতারবাড়িতে ১২০০ মেগাওয়াট একটি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয় ২০১৪ সালে। ঠিকাদার নিয়োগ দেওয়া হয় ২০১৭ সালে। প্রায় ৩৬ হাজার কোটি টাকার প্রকল্পের ২৮ হাজার ৯৩৯ কোটি টাকা সাহায্য হিসেবে দিচ্ছে জাইকা। অবশিষ্ট সাত হাজার ৪৫ কোটি টাকা সরকার ও সিপিজিসিবিএল সরবরাহ করছে। ২০২৪ সালে এ কেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

এ জাতীয় আরও খবর

বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ছেলেটাই ভোগালেন বাংলাদেশকে

শ্রমিকদের নতুন মজুরি নির্ধারণে দ্বিতীয় সভা ৯ নভেম্বর

এই নারী আমার স্ত্রী নন : গোলাম মাওলা রনি

এনসিপি থেকে সামান্তা শারমিনের পদত্যাগ

যৌথবাহিনীর অভিযানের সময় গোলাগুলি, সেনা সদস্য আহত : আইএসপিআর

নাহিদ ইসলামের ডাকে এখন ১০০ জনও জড়ো হবেন না: রাশেদ খাঁন

নিউইয়র্কে আবাসিক ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৬ প্রাণহানি

ভুটানকে হারিয়ে সাফে শুভসূচনা বাংলাদেশের

তিনি শুধু স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নন-সর্বমন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী: নাহিদ ইসলাম

শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী

নবীনগরে সার্বজনীন বহুমুখী কল্যাণ সংস্থার উদ্যোগে ফ্রি অলরাউন্ডার প্রশিক্ষণ

মার্কিন কোম্পানিকে বঙ্গোপসাগরে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের আমন্ত্রণ